লরিক্স ক্রিম হচ্ছে ত্বকের চুলকানি জনিত সমস্যার অন্যতম প্রধান একটি সমাধান। লরিক্স ক্রিমকে অনেক সময় লরিক্স প্লাস লোশনের একটি ছোট ভার্সন হিসেবেও ধরা হয়ে থাকে। তবে লরিক্স ক্রিম এবং লরিক্স প্লাস লোশনের মধ্যে রয়েছে বেশ কিছুটা তফাৎ। সাধারণত লরিক্স প্লাস লোশন বেশি পরিমানে চুলকানি ও বড় ধরনের সমস্যার জন্য ব্যবহার করা হয়, তবে লরিক্স ক্রিম এর ব্যবহার এর তুলনায় ছোট হয়ে থাকে।
আজ আমাদের লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে লরিক্স ক্রিম সমন্ধে আপনাদের ভালোভাবে তথ্য় প্রদান করা। এটি আমরা মেডিকেলের ভাষায় নয় বরং সাভাবিক ভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবো। আমরা আশাকরি আপনারা সহজেই এই লরিক্স ক্রিম এর কাজ সমন্ধে ভালোকরে বুঝে যাবেন।
লরিক্স ক্রিম এর কাজ কি
লরিক্স ক্রিম আসলে ছোট পর্যায়ের বা শরীরের আংশিক পরিমান চুলকানির জন্য ছোট পরিশরে ব্যবহার করার জন্য তৈরি করা একটা বিশেষ মেডিকেল ক্রিম। লরিক্স ক্রিম খোসপাঁচড়া, উকুন জনিত চুলকানি, ছোট পর্যায়ের দাদ, চুলকানিময় এলার্জির জন্য বেশি ব্যবহার করা হয়। এটি অত্যন্ত ভালো কাজ করে এই সব ছোট পর্যায়ের চুলকানীর জন্য।
লরিক্স ক্রিম ব্যবহার করা হলে এর রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায় এবং এটি শরীরের গভীরে থাকা জীবানু, স্ক্যাবিস মাইট ও উকুনকে মেরেফেলে এবং ধীরে ধীরে সেটা সেরে ওঠে। তবে এটি ব্যবহারের সাথে সাথে হালকা লালচে ভাব ও কিছুটা চুলকানী অনুভব হতে পারে। এর সাথে ডাক্তারের মাধ্যমে না পেলে অতিরিক্ত কোন ওষুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকাই ভালো।
লরিক্স ক্রিম ব্যবহারের সঠিক নিয়ম
নিয়ম না মেনে লরিক্স ক্রিম ব্যবহার করেও কোন লাভ পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না। তাই সব ধরনের মেডিসিনের মতো এই লরিক্স ক্রিম ব্যবহারের জন্যেও আপনাদের বিশেষ কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি।
- গোসলের পরে ত্বক শুকিয়ে নিন
- সংক্রমিত স্থানে ভালো করে পাতলা করে লরিক্স ক্রিমটি মালিশ করুন
- যদি চিকিৎসক পুরো শরীরে ব্যবহার করতে বলে, তাহলে পুরো শরীরে ভালো করে মালিশ করে নিন
- ৮ থেকে ১২ ঘন্টা রেখে দিন
- হালকা গড়ম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন
- রাতের বেলায় ব্যবহার করা উত্তম
- প্রয়োজন হলে ৭ দিন পরে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে আবার ব্যবহার করতে পারেন।
এভাবে ব্যবহার ককরলেই আশা করা যায় যে ত্বকের চুলকানিসহ ছোট খাটো পাঁচড়া রোগ থেকে সহজেই মুক্তি পেতে পারেন। প্রয়োজন অনুশারে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে ভুলবেন না। ব্যবহারের ৩-৪ দিন লক্ষ্য করুন, ভালো ফলাফল দেখতে না পারলে ডাক্তারকে জানাবেন এবং নতুন করে মেডিসিন পরিবর্তন করতে পারে বা লরিক্স প্লাস লোশন ও ব্যবহার করতে বলতে পারে।
সতর্কতা
শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন এবং তাপ থেকে দূরে ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষন করুন। শিশুদের ব্যবহারের ক্ষেত্রে পুরো শরীরে ব্যবহার করে পারেন তবে অবশ্যই চোখ ও মুখে যাওয়া থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
সবার জন্যই চোখে ও মুখে লরিক্স ক্রিম ব্যবহাররের বিশেষ সতর্কতা দেওয়া থাকে, তাই এটি থেকে অবশ্যই দূরে থাকতে হবে।
২ মাসের শিশুর ক্ষেত্রে ডাক্তারের বিশেষ নির্দেশ ছাড়া কোন ক্রোমেই ব্যবহার করা যাবে না।
ব্যবহারের পরে পুনরায় সংক্রম ঠেকাতে হলে অবশ্যই কাপড় ও বিছানাসহ সকল কিছু ভালো করে ধুয়ে নিন এবং পরিবারের কারো কাছে থাকলে তাকেও ব্যবহার করতে হবে এবং তার জন্যেও সলক কিছু ধুয়ে ব্যবহার করা আবশ্যক।
লরিক্স ক্রিমের দাম কত
Lorix Cream 30gm বিভিন্ন বাজারে ৫৫ টাকা থেকে ৬০ টাকার মধ্যেই পাওয়া যায়। বিশেষ করে স্থান ভিত্তিক এর একটু কম বেশি দাম দেখা গেলেও বাংলাদেশের সব জেলায় ই এই লরিক্স ক্রিমকে ৬০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।
তবে লরিক্স ক্রিম কেনার জন্য অবশ্যই এই দামে আপনি লরিক্স ক্রিম পাবেন লরিক্স লোশন নয়। লরিক্স লোশনের দাম ভিন্ন হয়ে থাকে। তাই লরিক্স লোশন কেনার জন্য ভিন্ন পরিমাণ অর্থ প্রদাণ করতে হবে।
লরিক্স ক্রিম ৩০ গ্রাম প্য়াক ৬০ টাকা।
লরিক্স ক্রিম ক্রিম ছোট মাত্রার চুলকানি ও পাঁচড়া দূর করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এই লরিক্স ক্রিম চুলকানি ভালো করার কাজ করে।
